০৫:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

হাফ পাস দাবিতে শাহবাগ অবরোধ কর্মসূচিতে, পুলিশি বাঁধায় শিক্ষার্থীরা

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৩:৫৫:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১
  • / ১০৩৪৯ বার দেখা হয়েছে

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের জন্য ‘হাফ পাস’ বা অর্ধেক ভাড়া কার্যকর করাসহ তিন দফা দাবিতে প্রগতিশীল আটটি ছাত্র সংগঠনের শাহবাগ অবরোধ কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে পুলিশ। ​

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউ

প্রসঙ্গত, চলতি মাসে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে বাসভাড়া ২৭ শতাংশ বাড়িয়ে বিআরটিএর আদেশ আসার পর ছাত্রদের সঙ্গে বাসভাড়া নিয়ে বাগ্বিতণ্ডা নিয়মিত ঘটনা হয়ে উঠেছে। ফলে এই হাফ ভাড়া নিয়ে নিরুপায় হয়ে ছাত্ররা রাজপথে নামেন।শিক্ষার্থীরা তাদের জন্য ‘অধিকার’ অর্ধেক ভাড়া চালুর দাবি জানাচ্ছে। কিন্তু দাবি মানার ব্যাপারে সরকার আশ্বাস দিলেও বাসমালিকরা নারাজ।

উল্লেখ্য, ৫৭ বছর আগে থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য হাফ পাস প্রথা চলে আসছে। তবে লিখিত কোনো আইন নেই।

এদিকে প্রগতিশীল আটটি ছাত্র সংগঠন এই কর্মসূচির আয়োজক ছিল। আজ সোমবার (২৯ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে শাহবাগ অবরোধের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসি থেকে মিছিল বের করেন নেতাকর্মীরা। মিছিলটি শাহবাগের দিকে এগোলে সেখানে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া পুলিশ সদস্যরা এতে বাধা দেন। এ সময় নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান নিয়ে নেতাকর্মীরা সমাবেশ শুরু করেন।

শিক্ষার্থীদের বাসে হাফ ভাড়ার আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে শাহবাগ অবরোধ করতে যাওয়া বামপন্থি ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে রয়েছে ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্র ফ্রন্ট, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, ছাত্র ফেডারেশন, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল, ছাত্র ফেডারেশন, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ এবং বিপ্লব ছাত্র-যুব আন্দোলন। পুলিশি বাধার বিষয়ে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক দিলীপ রায় বলেন, ‌সড়কে মিছিলে হামলা করে পুলিশ আবারও প্রমাণ করেছে যে, তারা নিরাপদ সড়ক চায় না। তারা এর আগেও আমাদের ওপর হামলা করেছে। বাংলাদেশ ছাত্র ফেড়ারেশনের সভাপতি মিতু সরকার বলেন, শিক্ষার্থীদের মিছিল দেখে তারা ভয় পেয়েছে। আমাদের অনেক আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীকে তুলে নেওয়া হয়েছে। এই আন্দোলন চলবে।

শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, শাহবাগ একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়। দুই পাশে দুটি হাসপাতাল রয়েছে। এই মোড় অবরোধ করলে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হতে পারে। তাই আমরা তাদের শাহবাগ মোড় অবরোধ না করার অনুরোধ করি। এরপরও সামনে এগোতে চাইলে তাদের বাধা দেই।

ঢাকা/এমটি 

শেয়ার করুন

হাফ পাস দাবিতে শাহবাগ অবরোধ কর্মসূচিতে, পুলিশি বাঁধায় শিক্ষার্থীরা

আপডেট: ০৩:৫৫:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের জন্য ‘হাফ পাস’ বা অর্ধেক ভাড়া কার্যকর করাসহ তিন দফা দাবিতে প্রগতিশীল আটটি ছাত্র সংগঠনের শাহবাগ অবরোধ কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে পুলিশ। ​

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউ

প্রসঙ্গত, চলতি মাসে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে বাসভাড়া ২৭ শতাংশ বাড়িয়ে বিআরটিএর আদেশ আসার পর ছাত্রদের সঙ্গে বাসভাড়া নিয়ে বাগ্বিতণ্ডা নিয়মিত ঘটনা হয়ে উঠেছে। ফলে এই হাফ ভাড়া নিয়ে নিরুপায় হয়ে ছাত্ররা রাজপথে নামেন।শিক্ষার্থীরা তাদের জন্য ‘অধিকার’ অর্ধেক ভাড়া চালুর দাবি জানাচ্ছে। কিন্তু দাবি মানার ব্যাপারে সরকার আশ্বাস দিলেও বাসমালিকরা নারাজ।

উল্লেখ্য, ৫৭ বছর আগে থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য হাফ পাস প্রথা চলে আসছে। তবে লিখিত কোনো আইন নেই।

এদিকে প্রগতিশীল আটটি ছাত্র সংগঠন এই কর্মসূচির আয়োজক ছিল। আজ সোমবার (২৯ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে শাহবাগ অবরোধের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসি থেকে মিছিল বের করেন নেতাকর্মীরা। মিছিলটি শাহবাগের দিকে এগোলে সেখানে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া পুলিশ সদস্যরা এতে বাধা দেন। এ সময় নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান নিয়ে নেতাকর্মীরা সমাবেশ শুরু করেন।

শিক্ষার্থীদের বাসে হাফ ভাড়ার আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে শাহবাগ অবরোধ করতে যাওয়া বামপন্থি ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে রয়েছে ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্র ফ্রন্ট, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, ছাত্র ফেডারেশন, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল, ছাত্র ফেডারেশন, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ এবং বিপ্লব ছাত্র-যুব আন্দোলন। পুলিশি বাধার বিষয়ে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক দিলীপ রায় বলেন, ‌সড়কে মিছিলে হামলা করে পুলিশ আবারও প্রমাণ করেছে যে, তারা নিরাপদ সড়ক চায় না। তারা এর আগেও আমাদের ওপর হামলা করেছে। বাংলাদেশ ছাত্র ফেড়ারেশনের সভাপতি মিতু সরকার বলেন, শিক্ষার্থীদের মিছিল দেখে তারা ভয় পেয়েছে। আমাদের অনেক আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীকে তুলে নেওয়া হয়েছে। এই আন্দোলন চলবে।

শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, শাহবাগ একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়। দুই পাশে দুটি হাসপাতাল রয়েছে। এই মোড় অবরোধ করলে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হতে পারে। তাই আমরা তাদের শাহবাগ মোড় অবরোধ না করার অনুরোধ করি। এরপরও সামনে এগোতে চাইলে তাদের বাধা দেই।

ঢাকা/এমটি