১১:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

হার্ট অ্যাটাক করে হাসপাতালে সংগীতশিল্পী হায়দার

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৪:৩৮:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুন ২০২২
  • / ১০৩৪৯ বার দেখা হয়েছে

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী, গীতিকার ও সুরকার হায়দার হোসেন হার্ট অ্যাটাক করে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। বর্তমানে ঢাকার এভাকেয়ার হাসপাতালে সিসিইউতে রাখা হয়েছে তাকে। বুধবার (৮ জুন) দুপুরে ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হায়দার হোসেনের স্ত্রী নুসরাত জাহান।

তিনি জানান, মঙ্গলবার (৭ জুন) রাত সাড়ে ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে হার্ট অ্যাটাক করেন এই গায়ক। এরপর সঙ্গে সঙ্গে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

নুসরাত জাহান আরও জানান, অনেক দিন ধরে ডায়াবেটিক সমস্যায়ও ভুগছেন এই গায়ক। ফলে তার চিকিৎসা নিয়ে ডাক্তাররা চিন্তার মধ্যে আছেন। আজ দুপুরে মেডিকেল বোর্ড হায়দার হোসেনের চিকিৎসার বিষয়ে জরুরি বৈঠক করবে। সেখানেই তার চিকিৎসার পরবর্তী কার্যক্রম নির্ধারণ করা হবে। আর তখনি জানা যাবে এই গায়কের হার্টে রিং বসানো হবে নাকি অন্য কোনো ট্রিটমেন্ট চলবে।

হায়দার হোসেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে একজন প্রকৌশলী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৭৯ সাল থেকে তিনি সংগীত পেশার সঙ্গে সম্পৃক্ত। বিখ্যাত সুরকার আলম খানের সঙ্গে প্লেব্যাক গিটার বাজাতেন তিনি এবং এরপর পপ সম্রাট আজম খানের সঙ্গে কাজ করতেন। এক সময় হায়দার হোসেন নিজেই বেশ খ্যাতি পান।

তার জনপ্রিয় গানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য-’৩০ বছর পরেও আমি স্বাধীনতাটাকে খুঁজছি’, ‘ফাইসা গেছি’ প্রভৃতি।

ঢাকা/টিএ

শেয়ার করুন

হার্ট অ্যাটাক করে হাসপাতালে সংগীতশিল্পী হায়দার

আপডেট: ০৪:৩৮:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুন ২০২২

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী, গীতিকার ও সুরকার হায়দার হোসেন হার্ট অ্যাটাক করে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। বর্তমানে ঢাকার এভাকেয়ার হাসপাতালে সিসিইউতে রাখা হয়েছে তাকে। বুধবার (৮ জুন) দুপুরে ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হায়দার হোসেনের স্ত্রী নুসরাত জাহান।

তিনি জানান, মঙ্গলবার (৭ জুন) রাত সাড়ে ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে হার্ট অ্যাটাক করেন এই গায়ক। এরপর সঙ্গে সঙ্গে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

নুসরাত জাহান আরও জানান, অনেক দিন ধরে ডায়াবেটিক সমস্যায়ও ভুগছেন এই গায়ক। ফলে তার চিকিৎসা নিয়ে ডাক্তাররা চিন্তার মধ্যে আছেন। আজ দুপুরে মেডিকেল বোর্ড হায়দার হোসেনের চিকিৎসার বিষয়ে জরুরি বৈঠক করবে। সেখানেই তার চিকিৎসার পরবর্তী কার্যক্রম নির্ধারণ করা হবে। আর তখনি জানা যাবে এই গায়কের হার্টে রিং বসানো হবে নাকি অন্য কোনো ট্রিটমেন্ট চলবে।

হায়দার হোসেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে একজন প্রকৌশলী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৭৯ সাল থেকে তিনি সংগীত পেশার সঙ্গে সম্পৃক্ত। বিখ্যাত সুরকার আলম খানের সঙ্গে প্লেব্যাক গিটার বাজাতেন তিনি এবং এরপর পপ সম্রাট আজম খানের সঙ্গে কাজ করতেন। এক সময় হায়দার হোসেন নিজেই বেশ খ্যাতি পান।

তার জনপ্রিয় গানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য-’৩০ বছর পরেও আমি স্বাধীনতাটাকে খুঁজছি’, ‘ফাইসা গেছি’ প্রভৃতি।

ঢাকা/টিএ