৫ কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র আরও ২ বছরের জন্য অনুমোদন
- আপডেট: ০৭:০১:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ মার্চ ২০২২
- / ১০৩৩৭ বার দেখা হয়েছে
বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: সরকারের সঙ্গে চুক্তি শেষ হওয়া পাঁচটি ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে আরও দুই বছরের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২৩ মার্চ) বিকেলে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এসব বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে আরও দুই বছর বিদ্যুৎ কেনার প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে। বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছে।
অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুক–টুইটার–লিংকডইন–ইন্সটাগ্রাম–ইউটিউব
মুস্তফা কামাল বলে, ‘নো ইলেকট্রিসিটি নো পেমেন্ট’ পদ্ধতিতে পুরানো এসব বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে আরও দুই বছর বিদ্যুৎ কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এসব কোম্পানি বিদ্যুৎ সরবরাহ না করলে কোনো মূল্য সরকারকে দিতে হবে না। যেটা আগে ছিল।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলে, এক সময় বাংলাদেশ ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য নতুন জায়গা ছিল। সে জন্য কোম্পানিগুলোকে বাড়তি প্রণোদনা দিয়ে আনতে হয়েছে। এখন দেশে শতভাগ বিদ্যুতায়ন হয়েছে। এখন আর এসব কোম্পানিকে বসিয়ে রেখে টাকা দিতে হবে না।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব জিল্লুর রহমান চৌধুরী জানায়, খুলনা পাওয়ার কোম্পানি, খুলনা পাওয়া কোম্পানি ইউনিট-২, ডাচ বাংলা পাওয়ার অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েট লিমিটেড, ওরিয়ন পাওয়ার মেঘনাঘাট লিমিটেড, সামিট নারায়ণগঞ্জ পাওয়ার লিমিটেড থেকে আরও দুই বছর বিদ্যুৎ কেনা হবে। প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম পড়বে ১৬ টাকা ৪০ পয়সা। যা এর আগের পাঁচ বছর ছিল ১৭ টাকা ৫৩ পয়সা।
তিনি বলেন, ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে আলোচনা হয়েছে যে বর্তমানে সরকারের অন্যান্য প্রকল্প থেকে প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। ফলে কুইক রেন্টাল পাওয়ার প্লান্ট থেকে বিদ্যুৎ কেনা ধীরে ধীরে নিরুৎসাহিত করতে হবে। এ জন্য কোম্পানিগুলো পাঁচ বছরের চুক্তির প্রস্তাব করলেও কমিটি দুই বছরের অনুমোদন দিয়েছে। আশা করা যায় এক সময় এ ধরনের কেন্দ্র থেকে আর বিদ্যুৎ নেবে না সরকার।
জিল্লুর রহমান চৌধুরী আরও বলে, এসব বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ৪৫৭ মেগাওয়াট। এই বিদ্যুতের জন্য সরকারকে ৫ হাজার ২০৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা খরচ করতে হবে। ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি মোট ১১টি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। এরমধ্যে বিদ্যুৎ বিভাগের ৭টি, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের একটি, শিল্প মন্ত্রণালয়ের একটি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের একটি এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের একটি প্রস্তাবনা ছিল। এসব প্রস্তাবে মোট ৭ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা ব্যয় হবে। এর মধ্যে সরকারের কোষাগার থেকে দেওয়া হবে ৭ হাজার ১৩৬ কোটি টাকা এবং দেশীয় ব্যাংক ও বিশ্বব্যাংক থেকে ৪৩৭ কোটি টাকা ঋণ হিসেবে আসবে।
ঢাকা/এসএ




































