৬০ শতাংশ শেয়ার ধারনে ৩০ বিমা কোম্পানিতে আইডিআরএ’র চিঠি
- আপডেট: ০৪:২৯:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ মার্চ ২০২২
- / ১০৩৬৭ বার দেখা হয়েছে
বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: এবার পুঁজিবাজারে তারল্য বাড়াতে সহযোগিতা করতে হাত বাড়িয়ে দিল বীমা কোম্পানির নিয়ন্ত্রক সংস্থা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)। সংস্থাটি থেকে ত্রিশ নন-লাইফ বীমা কোম্পানিকে উদ্যোক্তাদের কমপক্ষে ৬০ শতাংশ শেয়ার ধারনে অতিদ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে কমপক্ষে ৪০ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধন করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুক–টুইটার–লিংকডইন–ইন্সটাগ্রাম–ইউটিউব
মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) আইডিআরএ পরিচালক মো: জাহাঙ্গীর আলম সাক্ষরিত চিঠি ৩০ নন-লাইফ বীমা কোম্পানির মূখ্য নির্বাহি কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে গতকাল অতালিকাভুক্ত ২৬ বীমা কোম্পানিকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) জন্য ফাইল দাখিল ও ইক্যুইটির ২০% শেয়ারবাজারে বিনিয়োগে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আইডিআরএকে চিঠি দেয় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এছাড়া গত ২৩ মার্চ শেয়ারবাজারের উন্নয়নে সাপোর্ট দেওয়ার জন্য ৬১টি ব্যাংককে বিদ্যমান সক্ষমতার মধ্য থেকে বিনিয়োগ করার জন্য চিঠি দিয়েছে বিএসইসি। যে ব্যাংকগুলোর ৪০-৫০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে।
ব্যাংকগুলোকে দেয়া বিএসইসির ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, অনেক ব্যাংক বিনিয়োগ সীমা ও ২০০ কোটির বিশেষ তহবিলের থেকে অনেক কম বিনিয়োগ করেছে। এছাড়া অধিকাংশ ব্যাংক এখন পর্যন্ত ২০০ কোটির বিশেষ তহবিল গঠনই করেনি। এই পরিস্থিতিতে ৩৩ ব্যাংককে বিনিয়োগ সীমা অনুযায়ি ও বিশেষ তহবিল থেকে বিনিয়োগের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিশেষ তহবিল গঠন না করা ২৮ ব্যাংককে গঠন করে বিনিয়োগের জন্য বলা হয়েছে।
আইডিআরএ থেকে চিঠি দেওয়া ত্রিশ বীমা কোম্পানি হচ্ছে- অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স, এশিয়া ইন্স্যুরেন্স, এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, বাংলাদেশ কো-অপারেটিভ ইন্স্যুরেন্স, বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স, কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স, গ্রীণ ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স, গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স, ইসলামী ইন্স্যুরেন্স, জনতা ইন্স্যুরেন্স, কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স, মেঘনা ইন্স্যুরেন্স, মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স, নিটল ইন্স্যুরেন্স, নর্দার্ণ ইসলামী ইন্স্যুরেন্স, প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স, পিপলস ইন্স্যুরেন্স, ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্স, পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স, প্রগতি ইন্স্যুরেন্স, প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স, পূরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স, সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স, স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স, সাউথ এশিয়া ইন্স্যুরেন্স, তাকাফুল ইসলামী ইন্স্যুরেন্স, ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স ও ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স।
আইডিআরএর চিঠিতে বলা হয়েছে, বীমা আইন ২০১০ এর ২১ ধারা এবং তফসিল (১)(খ) অনুযায়ি বাংলাদেশে নিবন্ধিত নন-লাইফ বীমা কোম্পানির ক্ষেত্রে ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন হবে ৪০ কোটি টাকা। যার ৬০ শতাংশ হবে উদ্যোক্তাদের এবং বাকি ৪০ শতাংশ হবে জনসাধারনের। এ হিসাবে ৪০ কোটির ৬০ শতাংশ বা ২৪ কোটি টাকার মালিকানা হবে উদ্যোক্তাদের। তবে কিছু কিছু নন-লাইফ বীমা কোম্পানির উদ্যোক্তারা এখনো পরিশোধিত মূলধনের ৬০ শতাংশে তাদের মালিকানা করতে পারেনি।
এই পরিস্থিতিতে বীমা আইন ২০১০ এর ধারা ২১ পরিপালনে ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন সংরক্ষনে অতিদ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করে আইডিআরএকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে বীমা খাতে নতুন বা বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ের পরে লাইসেন্স প্রাপ্ত বীমা কোম্পানি এবং পুরাতন বা বীমা আইন ১৯৩৮ এর অধীনে লাইসেন্স প্রাপ্ত বীমা কোম্পানির মধ্যে সামঞ্জস্য বজায় রাখার জন্য পুরাতন সব নন-লাইফ বীমা কোম্পানিকে বীমা আইন ২০১০ এর ধারা ২১ যথাযথভাবে পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঢাকা/টিএ
































