০৭:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

৭ শিক্ষক দিয়ে চলছে নাঙ্গলকোট এ আর মডেল উচ্চ বিদ্যালয়

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৪:০০:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ জানুয়ারী ২০২১
  • / ১০৩৯৫ বার দেখা হয়েছে

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার একমাত্র সরকারি স্কুল নাঙ্গলকোট এ আর মডেল উচ্চ বিদ্যালয়। স্কুলটিতে প্রায় এক হাজার ১০০ শিক্ষার্থীর বিপরীতে রয়েছে মাত্র সাতজন শিক্ষক। বিদ্যালয়টি ২৭ অক্টোবর ২০১৮ সালে জাতীয়করণ হওয়ার পর থেকে শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। যার ফলে শিক্ষক সংকট নিয়ে চলছে শিক্ষা কার্যক্রম। বিদ্যালয়টিতে গণিত ও ইংরেজি বিষয়ের কোনো শিক্ষক নেই।

প্রতিষ্ঠানটিতে ২৫ জন শিক্ষককের স্থলে আছে এমপিওভুক্ত মাত্র ৭ জন শিক্ষক। আর ৭ কর্মচারীর স্থলে রয়েছেন ৩ জন। সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে শরীরচর্চা শিক্ষককে প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) দিয়ে শিক্ষা ও প্রশাসনিক কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে। শিক্ষক সংকট থাকায় ১১ জন খণ্ডকালীন শিক্ষক দিয়ে কোনোরকম জোড়োতালি দিয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হচ্ছে। এতে করে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার ব্যাঘাত ঘটছে। ফলে মেধাশূন্য হচ্ছে ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।

জানা যায় বিগত ২০২০ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল সন্তোষজনক ছিল না।

এ ব্যাপারে অভিভাবক সোলাইমান জানান, খণ্ডকালীন শিক্ষক দিয়ে প্রকৃতপক্ষে ভালো লেখাপড়ার সুযোগ নেই। আমাদের সন্তানরা শিক্ষকের অভাবে প্রতিষ্ঠানবিমুখ হয়ে যাচ্ছে।

জরুরি ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষক নিয়োগের দাবিও জানান অভিভাবকরা।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এসএম রহমান ভূঁইয়া বলেন, বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট থাকায় খণ্ডকালীন শিক্ষক দিয়ে কোনোরকম প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা হচ্ছে। অধিকাংশ শিক্ষক চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করায় শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি সরকারি হওয়ায় বেসরকারি নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে শিক্ষকের জন্য আবেদন করা যাচ্ছে না।

সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার লামইয়া সাইফুল বলেন, স্কুলটি জাতীয়করণ হওয়ায় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া যাচ্ছে না। খণ্ডকালীন শিক্ষক দিয়ে বিদ্যালয়টি পরিচালনা করা হচ্ছে। আশা করি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত সময়ের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

শেয়ার করুন

৭ শিক্ষক দিয়ে চলছে নাঙ্গলকোট এ আর মডেল উচ্চ বিদ্যালয়

আপডেট: ০৪:০০:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ জানুয়ারী ২০২১

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার একমাত্র সরকারি স্কুল নাঙ্গলকোট এ আর মডেল উচ্চ বিদ্যালয়। স্কুলটিতে প্রায় এক হাজার ১০০ শিক্ষার্থীর বিপরীতে রয়েছে মাত্র সাতজন শিক্ষক। বিদ্যালয়টি ২৭ অক্টোবর ২০১৮ সালে জাতীয়করণ হওয়ার পর থেকে শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। যার ফলে শিক্ষক সংকট নিয়ে চলছে শিক্ষা কার্যক্রম। বিদ্যালয়টিতে গণিত ও ইংরেজি বিষয়ের কোনো শিক্ষক নেই।

প্রতিষ্ঠানটিতে ২৫ জন শিক্ষককের স্থলে আছে এমপিওভুক্ত মাত্র ৭ জন শিক্ষক। আর ৭ কর্মচারীর স্থলে রয়েছেন ৩ জন। সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে শরীরচর্চা শিক্ষককে প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) দিয়ে শিক্ষা ও প্রশাসনিক কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে। শিক্ষক সংকট থাকায় ১১ জন খণ্ডকালীন শিক্ষক দিয়ে কোনোরকম জোড়োতালি দিয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হচ্ছে। এতে করে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার ব্যাঘাত ঘটছে। ফলে মেধাশূন্য হচ্ছে ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।

জানা যায় বিগত ২০২০ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল সন্তোষজনক ছিল না।

এ ব্যাপারে অভিভাবক সোলাইমান জানান, খণ্ডকালীন শিক্ষক দিয়ে প্রকৃতপক্ষে ভালো লেখাপড়ার সুযোগ নেই। আমাদের সন্তানরা শিক্ষকের অভাবে প্রতিষ্ঠানবিমুখ হয়ে যাচ্ছে।

জরুরি ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষক নিয়োগের দাবিও জানান অভিভাবকরা।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এসএম রহমান ভূঁইয়া বলেন, বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট থাকায় খণ্ডকালীন শিক্ষক দিয়ে কোনোরকম প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা হচ্ছে। অধিকাংশ শিক্ষক চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করায় শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি সরকারি হওয়ায় বেসরকারি নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে শিক্ষকের জন্য আবেদন করা যাচ্ছে না।

সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার লামইয়া সাইফুল বলেন, স্কুলটি জাতীয়করণ হওয়ায় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া যাচ্ছে না। খণ্ডকালীন শিক্ষক দিয়ে বিদ্যালয়টি পরিচালনা করা হচ্ছে। আশা করি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত সময়ের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।