রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বলছে, সাইবার আক্রমণের কথা তাদের জানা নেই। তারা জেনেছেন, টিকেট কাটার চাপে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়। এতদিন রেলের কম্পিউটারাইজড টিকেটিংয়ের কাজটি করে আসছিল সিএনএস নামের একটি কোম্পানি।
এখন সেই কাজ পেয়েছে সহজ, সিনেসিস ও ভিনসেন জয়েন্ট ভেঞ্চার। গত ১৫ই ফেব্রুয়ারি ওই ভেঞ্চারের সঙ্গে চুক্তি করে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের সার্ভিস প্রোভাইডার পরিবর্তন এবং নতুন কোম্পানির দায়িত্ব নেয়ার জটিলতায় ২১ থেকে ২৫শে মার্চ অনলাইনে ট্রেনের টিকেট বিক্রি বন্ধ ছিল। এই কদিন কাউন্টার থেকে টিকেট বিক্রি করে ২৬শে মার্চ থেকে নতুন ব্যবস্থাপনায় টিকেটিং চালু হয়।
প্রতিদিন প্রায় ৯০ হাজার ও মাসিক প্রায় ২৭ লাখ যাত্রীর টিকিট কম্পিউটারের মাধ্যমে ইস্যু করা হয়। এ সব টিকিটের ৫০ শতাংশ অর্থাৎ প্রায় ১৩ লাখ টিকিট অনলাইন/মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে দেয়া হয়।
ঢাকা/এসএ





































