০২:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

এপেক্স স্পিনিং মিলস বন্ধ ঘোষণা

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০১:১২:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
  • / ১০১৭৩ বার দেখা হয়েছে

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি এপেক্স স্পিনিং অ্যান্ড নিটিং মিলস লিমিটেডে লে-অফ তথা সাময়িকভাবে উৎপাদন বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (২৩ জুন) কোম্পানি কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গতকালই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে। শ্রমিক অসন্তোষের প্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে দাবি করেছে কোম্পানিটি।ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এপেক্সের কারখানা লে-অফ ঘোষণার এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র অনুসারে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এপেক্স স্পিনিংয়ের কারখানা লে-অফের সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে।

কোম্পানিটি স্টক এক্সচেঞ্জকে জানিয়েছে, গাজীপুরের কালিয়াকৈরে অবস্থিত তাদের কারখানায় ক্রমবর্ধমান শ্রমিক অসন্তোষের কারণে কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।  বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর ধারা ১৩(১) এর আওতায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্তে ৫ হাজার শ্রমিক সাময়িকভাবে কাজ থেকে বঞ্চিত হবে।

উল্লেখ, লে-অফ হচ্ছে কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা। কাঁচামালের অভাব, কয়লা বা বিদ্যুতের ঘাটতি, যন্ত্রপাতি বিকল হওয়া, প্রাকৃতিক  দুর্যোগ, শ্রমিক অসন্তুোষ ইত্যাদি কারণে অনিবার্য প্রতীয়মান হলে শ্রম আইনের আওতায় লে-অফ ঘোষণা করা যায়। এ সময়ে শ্রমিকদেরকে কারখানার কাজে আসতে হয় না, কিন্তু তাদের চাকরি বহাল থাকে। তবে তাদের মজুরি মাত্র অর্ধেক পরিশোধ করা হয়।

ঢাকা/আরএইচ

শেয়ার করুন

এপেক্স স্পিনিং মিলস বন্ধ ঘোষণা

আপডেট: ০১:১২:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি এপেক্স স্পিনিং অ্যান্ড নিটিং মিলস লিমিটেডে লে-অফ তথা সাময়িকভাবে উৎপাদন বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (২৩ জুন) কোম্পানি কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গতকালই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে। শ্রমিক অসন্তোষের প্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে দাবি করেছে কোম্পানিটি।ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এপেক্সের কারখানা লে-অফ ঘোষণার এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র অনুসারে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এপেক্স স্পিনিংয়ের কারখানা লে-অফের সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে।

কোম্পানিটি স্টক এক্সচেঞ্জকে জানিয়েছে, গাজীপুরের কালিয়াকৈরে অবস্থিত তাদের কারখানায় ক্রমবর্ধমান শ্রমিক অসন্তোষের কারণে কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।  বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর ধারা ১৩(১) এর আওতায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্তে ৫ হাজার শ্রমিক সাময়িকভাবে কাজ থেকে বঞ্চিত হবে।

উল্লেখ, লে-অফ হচ্ছে কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা। কাঁচামালের অভাব, কয়লা বা বিদ্যুতের ঘাটতি, যন্ত্রপাতি বিকল হওয়া, প্রাকৃতিক  দুর্যোগ, শ্রমিক অসন্তুোষ ইত্যাদি কারণে অনিবার্য প্রতীয়মান হলে শ্রম আইনের আওতায় লে-অফ ঘোষণা করা যায়। এ সময়ে শ্রমিকদেরকে কারখানার কাজে আসতে হয় না, কিন্তু তাদের চাকরি বহাল থাকে। তবে তাদের মজুরি মাত্র অর্ধেক পরিশোধ করা হয়।

ঢাকা/আরএইচ