১১:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ১০:৩৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
  • / ১০১৮৩ বার দেখা হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি শান্তি চুক্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে-এমন আশাবাদের জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বড় ধরনের পতন হয়েছে। যদিও হরমুজ প্রণালীতে অবরোধসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মতবিরোধ রয়ে গেছে, যা মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহকে সীমিত করে রেখেছে।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (২৫ মে) ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের ফিউচার মূল্য ব্যারেলপ্রতি ৪ দশমিক ৭১ ডলার বা ৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ কমে ৯৮ দশমিক ৮৩ ডলারে নেমে আসে।

একই সময়ে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ৪ দশমিক ৫৭ ডলার বা ৪ দশমিক ৭৩ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯২ দশমিক ০৩ ডলারে দাঁড়ায়। সেশনের শুরুতেই উভয় চুক্তি ৭ মে’র পর থেকে সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছায়।

শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ওয়াশিংটন ও ইরান একটি শান্তি চুক্তি নিয়ে একটি সমঝোতা স্মারকের বিষয়ে ‘বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আলোচনা’ সম্পন্ন করেছে। এই চুক্তির মাধ্যমে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেয়ার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। সংঘাতের আগে এই প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহন হতো।

তবে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু বিষয়ে এখনো দুই পক্ষের মধ্যে মতবিরোধ রয়ে গেছে। ট্রাম্প আরও বলেন, তিনি তার প্রতিনিধিদের ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তিতে তাড়াহুড়ো না করার নির্দেশ দিয়েছেন।

এমএসটি মারকির বিশ্লেষক সল ক্যাভোনিক বলেন, ‘শান্তি চুক্তি এবং হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা ও ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও এখন আশার আলো দেখা যাচ্ছে, যা স্বল্পমেয়াদে তেলের দামে কিছুটা স্বস্তি আনবে।’

তবে বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলের স্বাভাবিক প্রবাহ ফেরাতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত তেল ও গ্যাস স্থাপনাগুলো মেরামত করতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।

ঢাকা/এসএইচ

শেয়ার করুন

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন

আপডেট: ১০:৩৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি শান্তি চুক্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে-এমন আশাবাদের জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বড় ধরনের পতন হয়েছে। যদিও হরমুজ প্রণালীতে অবরোধসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মতবিরোধ রয়ে গেছে, যা মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহকে সীমিত করে রেখেছে।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (২৫ মে) ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের ফিউচার মূল্য ব্যারেলপ্রতি ৪ দশমিক ৭১ ডলার বা ৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ কমে ৯৮ দশমিক ৮৩ ডলারে নেমে আসে।

একই সময়ে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ৪ দশমিক ৫৭ ডলার বা ৪ দশমিক ৭৩ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯২ দশমিক ০৩ ডলারে দাঁড়ায়। সেশনের শুরুতেই উভয় চুক্তি ৭ মে’র পর থেকে সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছায়।

শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ওয়াশিংটন ও ইরান একটি শান্তি চুক্তি নিয়ে একটি সমঝোতা স্মারকের বিষয়ে ‘বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আলোচনা’ সম্পন্ন করেছে। এই চুক্তির মাধ্যমে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেয়ার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। সংঘাতের আগে এই প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহন হতো।

তবে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু বিষয়ে এখনো দুই পক্ষের মধ্যে মতবিরোধ রয়ে গেছে। ট্রাম্প আরও বলেন, তিনি তার প্রতিনিধিদের ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তিতে তাড়াহুড়ো না করার নির্দেশ দিয়েছেন।

এমএসটি মারকির বিশ্লেষক সল ক্যাভোনিক বলেন, ‘শান্তি চুক্তি এবং হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা ও ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও এখন আশার আলো দেখা যাচ্ছে, যা স্বল্পমেয়াদে তেলের দামে কিছুটা স্বস্তি আনবে।’

তবে বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলের স্বাভাবিক প্রবাহ ফেরাতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত তেল ও গ্যাস স্থাপনাগুলো মেরামত করতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।

ঢাকা/এসএইচ