শিক্ষক হিসেবেই পরিচয় দিতে ভালোবাসতেন আহসান উল্লাহ মাস্টারঃ প্রধানমন্ত্রী
- আপডেট: ১১:৫২:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মে ২০২২
- / ১০৩৩১ বার দেখা হয়েছে
বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত জনপ্রিয় শ্রমিক নেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা আহসান উল্লাহ মাস্টার আজীবন মানবসেবায় নিয়োজিত বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে শিক্ষক হিসেবেই পরিচয় দিতে ভালোবাসতেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শনিবার (৭ মে) আহসান উল্লাহ মাস্টারের ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বাণীতে এ কথা বলেন ও তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুক–টুইটার–লিংকডইন–ইন্সটাগ্রাম–ইউটিউব
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমৃত্যু আহসান উল্লাহ মাস্টার নিজের প্রতিষ্ঠিত নোয়াগাঁও এমএ মজিদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। তিনি শিক্ষক সমিতিসহ বিভিন্ন সমাজসেবামূলক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান/সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাঁর স্বপ্ন ছিলো মাদক-সন্ত্রাস মুক্ত টঙ্গী-গাজীপুর গড়া। যার ফলে কালে কালে তিনি হয়ে উঠেন জঙ্গী-সন্ত্রাসের মদদদাতা বিএনপি-জামাত জোট সরকারের পথের কাঁটা। হাওয়া ভবনের প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিতে আওয়ামী লীগের জনপ্রিয় নেতাদের নিশ্চিহ্ন করার নীল-নকশা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বিএনপি-জামাত মদদপুষ্ট একদল সন্ত্রাসী ২০০৪ সালের ৭ মে নোয়াগাঁও এমএ মজিদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আহ্সান উল্লাহ মাস্টারকে প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি করে হত্যা করে।’
একজন প্রিয় শিক্ষককে সন্ত্রাসীদের গুলি থেকে বাঁচাতে বুক পেতে দিয়েছিল ছাত্র ওমর ফারুক রতন, সেও মৃত্যুবরণ করে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, শুধু তাই নয়, আহ্সান উল্লাহ মাস্টার খুন হওয়ার পর শোকার্ত, বিক্ষুব্ধ, প্রতিবাদী জনতার ওপর গুলি চালিয়ে আরো দু’জন নিরীহ মানুষকে হত্যা করে জোট সরকারের পুলিশ, গ্রেফতার করে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের হাজারো নেতাকর্মীকে। সেই সরকারের বাহিনী এই হত্যাকাণ্ডের প্রধান সাক্ষীকেও বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচার কার্যক্রম এখনও চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, সবাই প্রত্যাশা করে, বিচারকার্য চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়ে বিচারের রায় দ্রুত কার্যকর হবে।
শহীদ আহ্সান উল্লাহ মাস্টার গাজীপুর-২ (গাজীপুর সদর-টঙ্গী) আসন হতে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে দু’বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৯০ সালে গাজীপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এবং ১৯৮৩ ও ১৯৮৭ সালে দু’দফা পূবাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। এই জননেতা ছিলেন আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য। তিনি জাতীয় শ্রমিক লীগের কার্যকরী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ (বিলস)-এর চেয়ারম্যান এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সদস্য হিসেবে দায়িত্বপালন করেছেন।
ঢাকা/টিএ






































