শেয়ার কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত সাকিবসহ ১৫ জনের নথি জব্দ
- আপডেট: ০৪:২৫:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
- / ১০১৯৬ বার দেখা হয়েছে
পুঁজিবাজারে আলোচিত প্রায় আড়াইশ কোটি টাকার শেয়ার কারসাজির ঘটনায় তদন্তের অংশ হিসেবে ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান-সহ ১৫ আসামির বিভিন্ন নথিপত্র জব্দ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সম্প্রতি বেশ কয়েকটি সাক্ষাৎকারে পুঁজিবাজারের দুর্নীতির তদন্ত দাবি করেছিলেন সাকিব। এর মধ্যেই বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) থেকে সংশ্লিষ্ট তদন্ত প্রতিবেদন ও প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করেছে দুদক।
গত বছরের জুনে দায়ের করা মামলায় অভিযোগ করা হয়, সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রলুব্ধ করে সাকিব আল হাসান ও তার সহযোগীরা প্রায় ২৫৬ কোটি টাকা হাতিয়ে নেন। এর মধ্যে সাকিবের বিরুদ্ধে সরাসরি ২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আলোচিত কারসাজিকারী আবুল খায়ের হিরুর মাধ্যমে প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড এবং সোনালী পেপারস লিমিটেডের শেয়ারে বিনিয়োগ করেছিলেন এই অলরাউন্ডার।
অভিযোগে আরও বলা হয়, পরে তিনি মার্কেট ম্যানিপুলেশনে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত ও প্রলুব্ধ করেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগেও নথিপত্র সংগ্রহ করছে দুদক।
এদিকে এক সাক্ষাৎকারে সাকিব বলেন, “শেয়ার মার্কেটের কারসাজি আছে—এ কথা বলা হয়, কিন্তু কেউ বিস্তারিত কিছু প্রমাণ করতে পারেনি।”তিনি আরও বলেন, “দেড় বছর ধরে তদন্ত চলছে, কিন্তু কিছুই পাওয়া যায়নি। আমার বিশ্বাস, কিছু পাওয়ার সুযোগও নেই।”
চেক ডিজঅনার মামলার বিষয়ে সাকিবের দাবি, এটি একটি স্বাভাবিক ব্যাংকিং প্রক্রিয়া এবং অর্থ পরিশোধের মাধ্যমে মামলাটি নিষ্পত্তি করা সম্ভব।
ব্যাংক হিসাব জব্দের বিষয়ে তিনি বলেন, “তদন্তের স্বার্থে অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছিল হয়তো। কিন্তু এতদিন পরও কিছু পাওয়া না গেলে তদন্ত শেষ করে ক্লিয়ারেন্স দেওয়া উচিত।”
সাকিবের ভাষ্য, অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হোক, আর প্রমাণ না পেলে তাকে মুক্তভাবে আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ দেওয়া উচিত।
ঢাকা/এসএইচ


































