১২:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

আমি কারও অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে ভাবছি না: ট্রাম্প

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ১২:৩৯:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
  • / ১০১৭১ বার দেখা হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করাই তার প্রধান লক্ষ্য এবং এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চাপ বা জনগণের আর্থিক কষ্ট তার সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করছে না।

মঙ্গলবার চীন সফরে যাওয়ার আগে হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ট্রাম্প। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমেরিকানদের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তাকে ইরান যুদ্ধ নিয়ে কোনো চুক্তিতে যেতে প্ররোচিত করছে না।

ট্রাম্প বলেন, আমি শুধু একটি বিষয় নিয়েই ভাবছি। ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে দেওয়া যাবে না। এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, আমি কারও অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে ভাবছি না। আমি শুধু নিশ্চিত করতে চাই, ইরান যেন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে।

ট্রাম্পের এই বক্তব্য নিয়ে ইতোমধ্যে সমালোচনা শুরু হয়েছে। সমালোচকদের দাবি, ইরান ইস্যুতে কেবল সামরিক ও ভূ-রাজনৈতিক লক্ষ্য নয়, যুদ্ধের কারণে সাধারণ আমেরিকানদের ওপর যে অর্থনৈতিক চাপ তৈরি হচ্ছে সেটিও বিবেচনায় নেওয়া উচিত।

বিশেষ করে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ইরান সংঘাতের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ায় যুক্তরাষ্ট্রেও গ্যাসোলিনের মূল্য বেড়েছে। এতে জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

মঙ্গলবার প্রকাশিত নতুন তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

হোয়াইট হাউজের জনসংযোগ পরিচালক স্টিভেন চং বলেন, আমেরিকানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই ট্রাম্পের প্রধান দায়িত্ব। তার মতে, ইরান যদি পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করে, তাহলে তা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।

এদিকে রিপাবলিকান দলের ভেতরেও উদ্বেগ বাড়ছে। দলটির অনেক নেতা আশঙ্কা করছেন, দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত ও অর্থনৈতিক চাপ আগামী নভেম্বরের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

ঢাকা/এসএইচ

শেয়ার করুন

আমি কারও অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে ভাবছি না: ট্রাম্প

আপডেট: ১২:৩৯:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করাই তার প্রধান লক্ষ্য এবং এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চাপ বা জনগণের আর্থিক কষ্ট তার সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করছে না।

মঙ্গলবার চীন সফরে যাওয়ার আগে হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ট্রাম্প। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমেরিকানদের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তাকে ইরান যুদ্ধ নিয়ে কোনো চুক্তিতে যেতে প্ররোচিত করছে না।

ট্রাম্প বলেন, আমি শুধু একটি বিষয় নিয়েই ভাবছি। ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে দেওয়া যাবে না। এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, আমি কারও অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে ভাবছি না। আমি শুধু নিশ্চিত করতে চাই, ইরান যেন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে।

ট্রাম্পের এই বক্তব্য নিয়ে ইতোমধ্যে সমালোচনা শুরু হয়েছে। সমালোচকদের দাবি, ইরান ইস্যুতে কেবল সামরিক ও ভূ-রাজনৈতিক লক্ষ্য নয়, যুদ্ধের কারণে সাধারণ আমেরিকানদের ওপর যে অর্থনৈতিক চাপ তৈরি হচ্ছে সেটিও বিবেচনায় নেওয়া উচিত।

বিশেষ করে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ইরান সংঘাতের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ায় যুক্তরাষ্ট্রেও গ্যাসোলিনের মূল্য বেড়েছে। এতে জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

মঙ্গলবার প্রকাশিত নতুন তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

হোয়াইট হাউজের জনসংযোগ পরিচালক স্টিভেন চং বলেন, আমেরিকানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই ট্রাম্পের প্রধান দায়িত্ব। তার মতে, ইরান যদি পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করে, তাহলে তা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।

এদিকে রিপাবলিকান দলের ভেতরেও উদ্বেগ বাড়ছে। দলটির অনেক নেতা আশঙ্কা করছেন, দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত ও অর্থনৈতিক চাপ আগামী নভেম্বরের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

ঢাকা/এসএইচ