০৩:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

কর নথি অডিটের ভয় দেখিয়ে চলছে প্রতারণা, এনবিআরের সতর্কতা

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০২:৫৮:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
  • / ১০১৭৩ বার দেখা হয়েছে

কর নথি অডিটে পড়েছে এমন তথ্য দিয়ে করদাতাদের কাছে অজ্ঞাত মুঠোফোনে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে একটি প্রতারক চক্র। চক্রটি অডিট থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আশ্বাস কিংবা আইনি জটিলতার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন কৌশলে করদাতাদের ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করছে এমন বিষয়ে সতর্ক করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

রোববার (৫ জুলাই) এ বিষয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান আহসান হাবিব ঢাকা পোস্টকে বলেন, করদাতাদের হয়রানিমুক্ত ও স্বচ্ছ সেবা নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর। তাই কোনো অবস্থাতেই প্রতারকদের প্রলোভন বা ভয়ভীতি প্রদর্শনে বিভ্রান্ত হয়ে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন না করার জন্য করদাতাদের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি। একই সঙ্গে কেউ এনবিআরের কর্মকর্তা পরিচয়ে অর্থ দাবি করলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানায় বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিষয়টি জানাবেন। এনবিআর আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেবে।

এনবিআর জানায়, সম্প্রতি এক শ্রেণির প্রতারক বিভিন্ন মোবাইল নম্বর থেকে করদাতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের কর নথি অডিটের জন্য নির্বাচিত হয়েছে বলে দাবি করছে। পরে অডিট থেকে অব্যাহতি দেওয়ার প্রলোভন অথবা আইনি জটিলতার ভয় দেখিয়ে অবৈধভাবে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছে। কিন্তু কর নথি অডিট সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর কিংবা অননুমোদিত মাধ্যমে করদাতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন না। কোনো কর নথি অডিটের জন্য নির্বাচিত হলে আইন অনুযায়ী কেবল আনুষ্ঠানিক লিখিত নোটিশের মাধ্যমেই সংশ্লিষ্ট করদাতাকে বিষয়টি জানানো হয়।

সংস্থাটি আরও জানায়, কর সংক্রান্ত সব ধরনের বকেয়া কর বা ফি শুধু সরকারি চালানের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে হয়। কোনো কর্মকর্তা বা ব্যক্তি ব্যক্তিগতভাবে কিংবা বিকাশ, রকেট, নগদ বা অন্য কোনো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস বা ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবে অর্থ নেওয়ার ক্ষমতা রাখেন না। তাই এ ধরনের কোনো সন্দেহজনক ফোনকল, খুদে বার্তা (এসএমএস) বা ই-মেইল পেলে বিভ্রান্ত না হয়ে সংশ্লিষ্ট কর অঞ্চলের উপকর কমিশনারের কার্যালয়ে যোগাযোগ করার অনুরোধ করছে।

এর আগে ২০২৫ সালের জুলাই মাসে প্রথম পর্যায়ে ১৫ হাজার ৪৯৪টি ও দ্বিতীয় পর্যায়ে ৭২ হাজার ৩৪১টিসহ প্রায় ৮৮ হাজার আয়কর রিটার্ন অডিটের জন্য নির্বাচন করে। সর্বশেষ গত ৩০ জুন ব্যক্তি শ্রেণির আরও ৫ হাজার ১৪টি আয়কর রিটার্ন অডিটের জন্য নির্বাচন করে।

ঢাকা/এইচকে

শেয়ার করুন

কর নথি অডিটের ভয় দেখিয়ে চলছে প্রতারণা, এনবিআরের সতর্কতা

আপডেট: ০২:৫৮:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

কর নথি অডিটে পড়েছে এমন তথ্য দিয়ে করদাতাদের কাছে অজ্ঞাত মুঠোফোনে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে একটি প্রতারক চক্র। চক্রটি অডিট থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আশ্বাস কিংবা আইনি জটিলতার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন কৌশলে করদাতাদের ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করছে এমন বিষয়ে সতর্ক করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

রোববার (৫ জুলাই) এ বিষয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান আহসান হাবিব ঢাকা পোস্টকে বলেন, করদাতাদের হয়রানিমুক্ত ও স্বচ্ছ সেবা নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর। তাই কোনো অবস্থাতেই প্রতারকদের প্রলোভন বা ভয়ভীতি প্রদর্শনে বিভ্রান্ত হয়ে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন না করার জন্য করদাতাদের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি। একই সঙ্গে কেউ এনবিআরের কর্মকর্তা পরিচয়ে অর্থ দাবি করলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানায় বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিষয়টি জানাবেন। এনবিআর আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেবে।

এনবিআর জানায়, সম্প্রতি এক শ্রেণির প্রতারক বিভিন্ন মোবাইল নম্বর থেকে করদাতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের কর নথি অডিটের জন্য নির্বাচিত হয়েছে বলে দাবি করছে। পরে অডিট থেকে অব্যাহতি দেওয়ার প্রলোভন অথবা আইনি জটিলতার ভয় দেখিয়ে অবৈধভাবে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছে। কিন্তু কর নথি অডিট সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর কিংবা অননুমোদিত মাধ্যমে করদাতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন না। কোনো কর নথি অডিটের জন্য নির্বাচিত হলে আইন অনুযায়ী কেবল আনুষ্ঠানিক লিখিত নোটিশের মাধ্যমেই সংশ্লিষ্ট করদাতাকে বিষয়টি জানানো হয়।

সংস্থাটি আরও জানায়, কর সংক্রান্ত সব ধরনের বকেয়া কর বা ফি শুধু সরকারি চালানের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে হয়। কোনো কর্মকর্তা বা ব্যক্তি ব্যক্তিগতভাবে কিংবা বিকাশ, রকেট, নগদ বা অন্য কোনো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস বা ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবে অর্থ নেওয়ার ক্ষমতা রাখেন না। তাই এ ধরনের কোনো সন্দেহজনক ফোনকল, খুদে বার্তা (এসএমএস) বা ই-মেইল পেলে বিভ্রান্ত না হয়ে সংশ্লিষ্ট কর অঞ্চলের উপকর কমিশনারের কার্যালয়ে যোগাযোগ করার অনুরোধ করছে।

এর আগে ২০২৫ সালের জুলাই মাসে প্রথম পর্যায়ে ১৫ হাজার ৪৯৪টি ও দ্বিতীয় পর্যায়ে ৭২ হাজার ৩৪১টিসহ প্রায় ৮৮ হাজার আয়কর রিটার্ন অডিটের জন্য নির্বাচন করে। সর্বশেষ গত ৩০ জুন ব্যক্তি শ্রেণির আরও ৫ হাজার ১৪টি আয়কর রিটার্ন অডিটের জন্য নির্বাচন করে।

ঢাকা/এইচকে