বিদ্যুত ও জ্বালানি খাতের ৬৮ শতাংশ কোম্পানির এনএভি বেড়েছে

তাছলিমা আক্তার: পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত বিদ্যুত ও জ্বালানি খাতের অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) বেড়েছে। এ খাতের ২৩ টি কোম্পানির মধ্যে ১৫টির এনএভি বেড়েছে। শতাংশ হিসেবে যা ৬৮.১৮ শতাংশ। আর কমেছে ৭টির। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জান গেছে।

যেসব কোম্পানির সম্পদমূল্য বেড়েছে সেগুলো হলো- লিন্ডে বিডি, ডরিন পাওয়ার, পাওয়ার গ্রিড, শাহাজীবাজার, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, পদ্মা ওয়েল, যমুনা ওয়েল, বারাকা পাওয়ার, বারাকা পতেঙ্গা, অ্যাসোসিয়েট অক্সিজেন, এনার্জিপ্যাক, ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস, লুব-রেফ, ডেসকো এবং জিবিবি পাওয়ার।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

সম্পদমূল্য কমে যাওয়া কোম্পানিগুলো হচ্ছে- সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল, ইউনাইটেড পাওয়ার, এমজেএল, সামিট পাওয়ার, ইন্ট্রাকো সিএনজি, খুলনা পাওয়ার এবং তিতাস গ্যাস।  এছাড়া বিডি ওয়েল্ডিংয়ের তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি।

যেসব কোম্পানির সম্পদমূল্য বেড়েছে:

লিন্ডে বিডি: কোম্পানিটির ৩০ জুন ২০২১ সম্পদমূল্য ছিল ৩৫৫ টাকা ৭৫ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থবছর শেষে সম্পদ মূল্য হয়েছে ৩৯৫ টাকা ৫৫ পয়সা। সম্পদমূল্য বেড়েছে ৩৯ টাকা ৮০ পয়সা বা ১১.১৯ শতাংশ।

ডরিন পাওয়ার: ৩০ জুন ২০২১ তারিখে কোম্পানিটির সম্পদমূল্য ছিল ৪৩ টাকা ২২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে অর্ধবার্ষিকশেষে সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ৪৭ টাকা ৭৯ পয়সা। সম্পদমূল্য বেড়েছে ৪ টাকা ৪৭ পয়সা বা ১০.৩৪ শতাংশ।

পাওয়ার গ্রিড: ৩০ জুন ২০২১ তারিখে কোম্পানিটির সম্পদমূল্য ছিল ১২০ টাকা ৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে অর্ধবার্ষিকশেষে সম্পদমূল্য হয়েছে ১৩১ টাকা ৮৪ পয়সা। সম্পদমূল্য বেড়েছে ১১ টাকা ৪৪ পয়সা বা ৯.৫০ শতাংশ।

শাহাজীবাজার পাওয়ার: ৩০ জুন ২০২১ তারিখে কোম্পানিটির সম্পদমূল্য ছিল ৩৮ টাকা ০৫ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে অর্ধবার্ষিকশেষে সম্পদমূল্য হয়েছে ৪১ টাকা ৩৬ পয়সা। সম্পদমূল্য বেড়েছে ৩ টাকা ৩১ পয়সা বা ৮.৭০ শতাংশ।

মেঘনা পেট্রোলিয়াম: কোম্পানিটির ৩০ জুন ২১ সম্পদমূল্য ছিল ১৫৯ টাকা ৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে অর্ধবার্ষিকশেষে সম্পদমূল্য হয়েছে ১৭২ টাকা ৬৪ পয়সা। সম্পদমূল্য বেড়েছে ১২ টাকা ৭৪ পয়সা বা ৭.৯৭ শতাংশ।

পদ্মা অয়েল: কোম্পানিটির ৩০ জুন ২১ সম্পদমূল্য ছিল ১৬৮ টাকা ৪১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে অর্ধবার্ষিকশেষে সম্পদমূল্য হয়েছে ১৮০ টাকা ৮ পয়সা। সম্পদমূল্য বেড়েছে ১১ টাকা ৬৭ পয়সা বা ৬.৯৩ শতাংশ।

যমুনা অয়েল: কোম্পানিটির ৩০ জুন ২১ সম্পদমূল্য ছিল ১৮০ টাকা ৮৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে অর্ধবার্ষিকশেষে সম্পদমূল্য হয়েছে ১৯০ টাকা ৯২ পয়সা। সম্পদমূল্য বেড়েছে ১০ টাকা ৮ পয়সা বা ৫.৫৭ শতাংশ।

বারাকা পাওয়ার: কোম্পানিটির ৩০ জুন ২১ সম্পদমূল্য ছিল ২০ টাকা ৯১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে অর্ধবার্ষিকশেষে সম্পদমূল্য হয়েছে ২২ টাকা ৫ পয়সা। ১ টাকা ১৪ পয়সা বা ৫.৪৫ শতাংশ।

বারাকা পতেঙ্গা: কোম্পানিটির ৩০ জুন ২১ সম্পদমূল্য ছিল ২৮ টাকা ৪৮ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে অর্ধবার্ষিকশেষে সম্পদমূল্য হয়েছে ২৯ টাকা ৬৫ পয়সা। ১ টাকা ১৭ পয়সা বা ৪.১১ শতাংশ।

অ্যাসোসিয়েট অক্সিজেন: কোম্পানিটির ৩০ জুন ২১ সম্পদমূল্য ছিল ১৮ টাকা ২৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে অর্ধবার্ষিকশেষে সম্পদমূল্য হয়েছে ১৮ টাকা ৮৮ পয়সা। সম্পদমূল্য বেড়েছে ৫৯ পয়সা বা ৩.২৩ শতাংশ।

এনার্জিপ্যাক: কোম্পানিটির ৩০ জুন ২১ সম্পদমূল্য ছিল ৪৪ টাকা ৩৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে অর্ধবার্ষিকশেষে সম্পদমূল্য হয়েছে ৪৫ টাকা ২৯ পয়সা। সম্পদমূল্য বেড়েছে ৯০ পয়সা বা ২.০৩ শতাংশ।

ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস: কোম্পানিটির ৩০ জুন ২১ সম্পদমূল্য ছিল ২২৭ টাকা ৬৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে অর্ধবার্ষিকশেষে সম্পদমূল্য হয়েছে ২৩০ টাকা ৫৮ পয়সা। সম্পদমূল্য বেড়েছে ২ টাকা ৯৫ পয়সা বা ১.৩০ শতাংশ।

লুব-রেফ: কোম্পানিটির ৩০ জুন ২১ সম্পদমূল্য ছিল ৩৬ টাকা ৪৫ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে অর্ধবার্ষিকশেষে সম্পদমূল্য হয়েছে ৩৬ টাকা ৮২ পয়সা। সম্পদমূল্য বেড়েছে ৩৭ পয়সা বা ১.০২ শতাংশ।

ডেসকো: ৩০ জুন ২১ সম্পদমূল্য ছিল ৬৫ টাকা ২৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে অর্ধবার্ষিকশেষে সম্পদমূল্য হয়েছে ৬৫ টাকা ৭৯ পয়সা। সম্পদমূল্য বেড়েছে ৫৫ পয়সা বা ০.৮৪ শতাংশ।

জিবিবি পাওয়ার: কোম্পানিটির ৩০ জুন ২১ সম্পদমূল্য ছিল ২০ টাকা ২১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে অর্ধবার্ষিকশেষে সম্পদমূল্য হয়েছে ২০ টাকা ৩৭ পয়সা। সম্পদমূল্য বেড়েছে ১৬ পয়সা বা ০.৭৯ শতাংশ।

যেসব কোম্পানির সম্পদমূল্য কমেছে:

সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল: কোম্পানিটির ৩০ জুন ২১ সম্পদমূল্য ছিল ১০ টাকা ৫ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থবছর শেষে সম্পদ মূল্য হয়েছে ৯ টাকা ২৩ পয়সা। সম্পদমূল্য কমেছে ১ টাকা ২৭ পয়সা বা ১২.১০ শতাংশ।

ইউনাইটেড পাওয়ার: কোম্পানিটির ৩০ জুন ২১ সম্পদমূল্য ছিল ৫৬ টাকা ১৮ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থবছর শেষে সম্পদ মূল্য হয়েছে ৫১ টাকা ২ পয়সা। সম্পদমূল্য কমেছে ৫ টাকা ১৬ পয়সা বা ৯.১৮ শতাংশ।

মবিল যমুনা: কোম্পানিটির ৩০ জুন ২১ সম্পদমূল্য ছিল ৩৯ টাকা ৬৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থবছর শেষে সম্পদ মূল্য হয়েছে ৩৭ টাকা ৫৬ পয়সা। সম্পদমূল্য কমেছে ২ টাকা ১৩ পয়সা বা ৫.৩৭ শতাংশ।

সামিট পাওয়ার: কোম্পানিটির ৩০ জুন ২১ সম্পদমূল্য ছিল ৩৪ টাকা ৪৫ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থবছর শেষে সম্পদ মূল্য হয়েছে ৩২ টাকা ৬৭ পয়সা। সম্পদমূল্য কমেছে ১ টাকা ৭৮ পয়সা বা ৫.১৭ শতাংশ।

ইন্ট্রাকো সিএনজি: কোম্পানিটির ৩০ জুন ২১ সম্পদমূল্য ছিল ১২ টাকা ১৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থবছর শেষে সম্পদ মূল্য হয়েছে ১১ টাকা ৮৪ পয়সা। সম্পদমূল্য কমেছে ৩৩ পয়সা বা ২.৭১ শতাংশ।

খুলনা পাওয়ার: কোম্পানিটির ৩০ জুন ২১ সম্পদমূল্য ছিল ২২ টাকা ০৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থবছর শেষে সম্পদ মূল্য হয়েছে ২১ টাকা ৫১ পয়সা। সম্পদমূল্য কমেছে ৫৬ পয়সা বা ২.৫৪ শতাংশ।

তিতাস গ্যাস: কোম্পানিটির ৩০ জুন ২১ সম্পদমূল্য ছিল ৭২ টাকা ৫৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থবছর শেষে সম্পদ মূল্য হয়েছে ৭১ টাকা ৮১ পয়সা। সম্পদমূল্য কমেছে ৭৬ পয়সা বা ১.০৫ শতাংশ।

বিজনেস জার্নাল/টিএ/ঢাকা