কৃষিবিদ গ্রুপে অন্তঃসত্ত্বা কর্মীকে হঠাৎ চাকরিচ্যুতি: মানসিক চাপে গর্ভে সন্তানের মৃত্যু!
- আপডেট: ০৭:১৩:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
- / ১০২৫২ বার দেখা হয়েছে
দেশের অন্যতম কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান কৃষিবিদ গ্রুপে এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। শারমিন সুলতানা নামের এক নারী কর্মী, যিনি দীর্ঘ সাত বছর ধরে প্রতিষ্ঠানের অ্যাডমিন অ্যান্ড এইচআর ডিভিশনে এক্সিকিউটিভ অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন, অভিযোগ করেছেন- তিনি ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা থাকা অবস্থায় ঠিক স্ববেতনে মাতৃত্বকালীন ছুটিতে যাওয়ার আগ মুহুর্তে হঠাৎ কোনো কারণ ছাড়াই তাকে টার্মিনেশন লেটার প্রদান করা হয়। এটি শুধু চাকরিচ্যুতি নয়, এটি বিদ্যমান শ্রম আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন। এই ঘটনার পর মানসিক চাপে তার গর্ভে থাকা সন্তানের মৃত্যুর মতো মর্মান্তিক পরিণতির কথাও উঠে এসেছে তার অভিযোগে।
অভিযোগ অনুযায়ী, শারমিন সুলতানা ২০১৯ সালের ২ এপ্রিল কৃষিবিদ গ্রুপে যোগ দেন এবং দীর্ঘ সময় ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। কিন্তু গত ২৮ জুন ২০২৬ তারিখে তাকে একটি টার্মিনেশন লেটার প্রদান করা হয়, যেখানে তার চাকরিচ্যুতির কোনো নির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করা হয়নি। লেটারে শুধু বলা হয়, ২৯ জুলাই ২০২৬ থেকে তার চাকরির সমাপ্তি ঘটবে।
আরও পড়ুন: কৃষিবিদ সীডের মুনাফার মুখোশের আড়ালে পাওনার পাহাড়!
সবচেয়ে গুরুতর বিষয় হচ্ছে, এই টার্মিনেশন লেটার প্রদান করা হয় যখন তিনি ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, এই আকস্মিক সিদ্ধান্ত তাকে ভীষণ মানসিক চাপে ফেলে দেয়। এর ফলেই তার উচ্চ রক্তচাপ দেখা দেয় এবং পরবর্তীতে প্লাসেন্টা আলাদা হয়ে যাওয়ার মতো জটিলতা সৃষ্টি হয়। চিকিৎসকদের ভাষ্যমতে, শিশুটি পর্যাপ্ত অক্সিজেন না পেয়ে গর্ভেই মারা যায়- যা একটি পরিবার ও সমাজের জন্য গভীর ট্র্যাজেডি।

শারমিন সুলতানা আরও দাবি করেন, তার গর্ভাবস্থার সময়েও তাকে নিয়মিত রাত ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত অফিস করতে বাধ্য করা হতো। তিনি অভিযোগ করেন, গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ড. আলী আফজাল তার শারীরিক অবস্থা বিবেচনা না করেই অতিরিক্ত কাজের চাপ দিতেন। এমনকি টার্মিনেশন লেটার পাওয়ার পর তিনি একাধিকবার এমডির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও, কোনো সাড়া পাননি।
আরও বিস্ময়কর অভিযোগ হলো, গর্ভাবস্থার কারণে তিনি নিয়মিত অফিস করতে পারবেন না- এই যুক্তিতে তার চাকরিচ্যুতি বহাল রাখার জন্য গ্রুপের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন। যা শুধুমাত্র একটি ব্যক্তিগত ঘটনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং একটি প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ নীতি ও মানবিক মূল্যবোধ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।
আইনি দিক থেকে বিষয়টি আরও জটিল। শারমিন সুলতানা অভিযোগ করেছেন যে, তার চাকরিচ্যুতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬-এর একাধিক ধারা লঙ্ঘন করা হয়েছে। বিশেষ করে ধারা ৪৫ অনুযায়ী, কোনো নারী কর্মী গর্ভবতী অবস্থায় বা মাতৃত্বকালীন সুবিধা গ্রহণের সময় তাকে চাকরিচ্যুত করা আইনত নিষিদ্ধ বা কঠোরভাবে সীমাবদ্ধ। এছাড়া ধারা ২৩ ও ২৬ অনুযায়ী স্থায়ী কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করার ক্ষেত্রে যথাযথ কারণ, নোটিশ এবং ক্ষতিপূরণ দেওয়া বাধ্যতামূলক।
আরও পড়ুন: কাগুজে বিক্রি ওপর দাঁড়িয়ে কৃষিবিদ ফিডের মুনাফার প্রাসাদ!
প্রশ্ন উঠেছে- যদি “টার্মিনেশন উইথআউট কজ” দেওয়া হয়, তবে তা কি বিদ্যমান আইনে বৈধ- সেটিও গর্ভাবস্থার সময়? আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরণের চাকরিচ্যুতি বেআইনি হিসেবে বিবেচিত হবে, বিশেষ করে যদি তা মাতৃত্বকালীন সুরক্ষার সময় ঘটে।

গত ২৮ জুন কৃষিবিদ গ্রুপের পরিচালক (এডমিন এন্ড এইচআর) রেজাউল করিম খান স্বাক্ষরিত টার্মিনেশন লেটারে বলা হয়েছে, ‘কৃষিবিদ গ্রুপ ম্যানেজমেন্টের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কৃষিবিদ গ্রুপে আপনার চাকরি ২৯-০৭-২০২৬ তারিখ হতে সমাপ্ত (terminate) করা হবে। আপনাকে অনুরোধ করা হচ্ছে যে, সকল কোম্পানি/বিভাগ/প্রকল্প থেকে ক্লিয়ারেন্স সনদ গ্রহণ করে আপনার সকল পাওনা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য অ্যাকাউন্টস বিভাগে রিপোর্ট করবেন।’
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- শারমিন সুলতানা কৃষিবিদ গ্রুপের এইচআর অ্যান্ড অ্যাডমিন বিভাগে কাজ করলেও তার বেতন প্রদান করা হতো কৃষিবিদ ফিড লিমিটেড থেকে, যা একটি তালিকাভুক্ত কোম্পানি। প্রশ্ন উঠেছে, একটি লিস্টেড কোম্পানির মাধ্যমে পুরো গ্রুপের একজন কর্মীর বেতন প্রদান করা কতটা আইনসম্মত? এ বিষয়ে কর্পোরেট গভর্ন্যান্স ও আর্থিক স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
এছাড়া, কোনো স্থায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বিনা নোটিশে চাকরিচ্যুত করা যায় কিনা- এ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। শ্রম আইন অনুযায়ী, স্থায়ী কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করার আগে নির্দিষ্ট সময়ের নোটিশ প্রদান বা তার পরিবর্তে সমপরিমাণ বেতন প্রদান করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু শারমিন সুলতানা দাবি করেছেন, তাকে কোনো প্রকার পূর্ব নোটিশ দেওয়া হয়নি এবং কোম্পানির বিদ্যমান সার্ভিস বুক রুল অনুসারে ১২০ দিনের বেতনসহ অন্যান্য সুবিধাও নিশ্চিত করা হয়নি।
এছাড়া কোম্পানির বিদ্যমান সার্ভিস বুক রুলস অনুসারে, একজন কর্মী তার চাকুরীকালীন সময়ে দুইবার বেতনসহ মাতৃত্বকালীন ছুটি পাওয়ার অধিকার রাখে। শারমিন সুলতানা অভিযোগ করেন, স্ববেতনে ছুটি দেয়ার সময়েই একক সিদ্ধান্তে গ্রুপ এমডি ড. আলী আফজাল তাকে কোন কারণ উল্লেখ ছাড়াই তাকে চাকুরিচ্যুত করে, যা আইন বিরুদ্ধ ও গ্রুপ এমডির স্বেচ্ছাচারিতার বহি:প্রকাশ।



এই ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। নারী অধিকারকর্মীরা এটিকে ‘মানবাধিকার লঙ্ঘন’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তারা বলছেন, একটি কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানে যদি একজন অন্তঃসত্ত্বা কর্মীর সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়, তবে তা শুধুমাত্র একটি ব্যক্তিগত ঘটনা নয়- বরং দেশের কর্মপরিবেশের সামগ্রিক চিত্রকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে।
শ্রম অধিকার বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি অভিযোগগুলো প্রমাণিত হয়, তবে এটি শুধুমাত্র শ্রম আইন লঙ্ঘন নয়, বরং একটি গুরুতর মানবিক অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তারা দ্রুত তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ঘটনা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের নয়- বরং পুরো দেশের শ্রমনীতি, কর্পোরেট জবাবদিহিতা এবং নারীর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে ভাবনার সময় এসেছে। একজন অন্তঃসত্ত্বা কর্মীর নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করা শুধু আইনি বাধ্যবাধকতা নয়, এটি একটি সভ্য সমাজের ন্যূনতম মানবিক দায়িত্ব। এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা না হলে, ভবিষ্যতে আরও অনেক নারী কর্মী এমন পরিস্থিতির শিকার হতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এখন দেখার বিষয়- এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কত দ্রুত এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
এসব বিষয়ে জানতে বিজনেস জার্নালের পক্ষ থেকে কৃষিবিদ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আলী আফজাল ও গ্রুপের পরিচালক (এডমিন এন্ড এইচ আর) রেজাউল করিম খানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগে চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি। পরবর্তীতে তাদের হোয়াটসঅ্যাপেও বিষয়টি ব্যাখ্যা করে এর কারণ জানতে চাইলেও তারা কোন জবাব দেননি। ফলে ঘটনাটি নিয়ে রহস্য ও বিতর্ক আরও ঘনীভূত হয়েছে।
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কৃষিবিদ গ্রুপের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বিজনেস জার্নালকে বলেন, ‘এটা কোনো বিচ্ছিন্ন সিদ্ধান্ত না- এটা একটি ‘সিস্টেমিক প্রবলেম’-এর প্রতিফলন। ভেতরে ভেতরে একটা ভয়ংকর কালচার তৈরি হয়েছে, যেখানে কর্মীদের মানবিক অবস্থা বা ব্যক্তিগত বাস্তবতা কোনো গুরুত্বই পায় না।’ তিনি বলেন, ‘একজন ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা কর্মীকে যদি হঠাৎ করে কোনো কারণ ছাড়াই টার্মিনেশন দেওয়া হয়, তাও আবার যখন কর্মী শ্রম আইন ও প্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান সার্ভিস রুল অনুসারে ‘মেটার্নিটি লিভ’ –এ যাওয়ার সময় হয়, তাহলে বোঝা যায়- এই প্রতিষ্ঠানে ‘হিউম্যান রিসোর্স’ বলতে আসলে ‘হিউম্যান’ অংশটাই অনুপস্থিত।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যারা এখানে কাজ করি, তারা জানি- অনেক সিদ্ধান্তই একতরফাভাবে নেওয়া হয়, কোনো জবাবদিহিতা ছাড়াই। শারমিনের ঘটনাটা প্রকাশ্যে এসেছে বলে আলোচনা হচ্ছে, কিন্তু এমন নীরব অন্যায় আরও হয়েছে কিনা- সেটাও খতিয়ে দেখা দরকার। এটা শুধু একজন কর্মীর প্রতি অবিচার নয়, পুরো কর্মপরিবেশকে অনিরাপদ করে তোলার একটি দৃষ্টান্ত।’
বিষয়টি নিয়ে একাধিক মানবাধিকার সংগঠনের কর্মীদের সাথে আলাপকালে তারা বলেন, ‘আমরা বারবার দেখছি- কর্পোরেট খাতে প্রফিট ও পারফরম্যান্সের নামে মানবিকতা বিসর্জন দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এই ঘটনাটি সেই সীমা অতিক্রম করেছে। একজন অন্তঃসত্ত্বা নারী, যিনি সাত বছর ধরে একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন, তাকে এমন এক সময়ে মানসিক চাপে ফেলা হয়েছে- যখন তার সবচেয়ে বেশি সহানুভূতি ও সুরক্ষা প্রয়োজন ছিল। যদি অভিযোগ অনুযায়ী মানসিক চাপের কারণে গর্ভের সন্তানের মৃত্যু হয়ে থাকে, তাহলে এটি শুধুমাত্র একটি প্রশাসনিক ভুল নয়- এটি একটি নৈতিক বিপর্যয়।’
তাদের মতে, এই ধরনের ঘটনা সমাজে একটি ভয়ংকর বার্তা দেয়- ‘মাতৃত্ব তোমার দুর্বলতা, এবং সেটার জন্য তুমি চাকরি হারাতে পারো। এটি নারী কর্মীদের জন্য এক ধরনের নীরব হুমকি। আমরা মনে করি, এখানে শুধু ক্ষতিপূরণ বা ক্ষমা চাওয়াই যথেষ্ট নয়- প্রয়োজন একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা, যাতে ভবিষ্যতে কোনো প্রতিষ্ঠান এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অন্তত দু’বার ভাবতে বাধ্য হয়। রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোরও এখানে সক্রিয় হওয়া জরুরি, না হলে এ ধরনের ঘটনা বারবার ঘটতেই থাকবে।’
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট ওয়াহিদুন্নবী বিপ্লব বলেন, ‘এই ঘটনাকে যদি আমরা আইনগত কাঠামোর মধ্যে দেখি, তাহলে এখানে একাধিক স্তরে প্রশ্ন ওঠে। প্রথমত, বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬-এর ধারা ৪৫ অনুযায়ী মাতৃত্বকালীন সময়ে চাকরিচ্যুতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত- এটা কেবল একটি প্রশাসনিক বিষয় নয়, এটি একটি সুরক্ষামূলক বিধান। দ্বিতীয়ত, ধারা ২৩ ও ২৬ অনুযায়ী কোনো স্থায়ী কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করার ক্ষেত্রে যথাযথ কারণ, শোকজ, নোটিশ এবং ক্ষতিপূরণ অপরিহার্য। সবচেয়ে বড় কথা কোন কারণ উল্লেখ না করা মানে সেটি আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো হিসেবে বিবেচিত হতে পারে, বিশেষ করে যখন কর্মী গর্ভবতী অবস্থায় আছেন।’
তিনি বলেন, ‘আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- যদি কর্মীর বেতন একটি তালিকাভুক্ত কোম্পানি থেকে প্রদান করা হয়, অথচ তিনি কার্যত অন্য একটি সত্তার অধীনে কাজ করেন, তাহলে কর্পোরেট গভর্ন্যান্স ও ফিন্যান্সিয়াল কমপ্লায়েন্স নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন ওঠে। এটি শুধু শ্রম আইনের বিষয় নয়, বরং সিকিউরিটিজ আইন ও কোম্পানি আইনের দৃষ্টিতেও তদন্তযোগ্য ইস্যু। সব মিলিয়ে, অভিযোগগুলো প্রমাণিত হলে এটি একটি ‘মাল্টি-লেয়ারড লিগ্যাল ভায়োলেশন’, যার জন্য দেওয়ানি ও ফৌজদারি- দুই ধরনের আইনি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান।’ (চলবে…)




































