০৮:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

তেলের দাম বাড়ানোর সঙ্গে আইএমএফের কোনো সম্পর্ক নেই: অর্থমন্ত্রী

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৩:১৩:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১০২৫০ বার দেখা হয়েছে

তেলের দাম বাড়ানোর সঙ্গে আইএমএফের কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, সরকারি তহবিলে চাপ বাড়ায় দাম বাড়ানো হয়েছে।

রোববার (১৯ এপ্রিল) বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের বসন্তকালীন বৈঠক নিয়ে সচিবালয়ে নিজ দফতরে ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, ‘জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণের বাইরে গিয়ে আইএমএফ ও ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের কাছে কোনো ঋণ নেবে না সরকার।

এদিকে যুদ্ধকালীন অবস্থার কারণে সরকার জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করতে বাধ্য হয়েছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও ৫ ডলার বাড়িয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ব্যাপার হচ্ছে একটা যুদ্ধকালীন অবস্থার মধ্যে আমরা আছি। সারা বিশ্ব তাদের তেলের দাম এডজাস্ট করেছে। এমনকি আমেরিকাও পাঁচ ডলার বাড়িয়েছে। তো সেইখানে আমরা বাংলাদেশে যুদ্ধ লাগার পর থেকে ইম্পোর্ট করে যে স্টক তৈরি করেছি, তার যে দাম পড়েছে, সেই দামের থেকে নিচে আমরা এখন প্রাইস এডজাস্টমেন্ট করেছি।

সরকার তেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এটা করতে বাধ্য হইছি আমরা। কেননা এটা বৈদেশিক মুদ্রা দিয়ে কিনতে হয় এবং সেটা যাতে কিছু বাড়িয়ে আমরা যেন সহনীয় লেভেলে থাকতে পারি সেই ব্যবস্থা করেছি।’

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ালেও এখনও সরকার ভর্তুকি দিচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ভর্তুকি এখনো আছে। ইফ ইউ ওয়ান্ট অ্যাকুরেট হিসাব তাহলে আমার মন্ত্রণালয়ে যেয়ে বসে ওখান থেকে নিতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘যুদ্ধ মানেই বিরূপ প্রভাব পড়া। এই যুদ্ধে শুধু বাংলাদেশ না সারা পৃথিবীর ওপর প্রভাব পড়েছে। আমাদের ওপরও প্রভাব আছে।’

ইরান যুদ্ধকে ঘিরে বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেশে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার। লিটারে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে জ্বালানির দাম।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের নির্ধারিত নতুন দর অনুযায়ী, রোববার (১৯ এপ্রিল) থেকে পাম্পগুলোতে প্রতি লিটার ডিজেল ১০০ টাকা থেকে ১৫ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১১৫ টাকায়।

এছাড়া প্রতি লিটার অকটেন ১২০ টাকা থেকে ২০ টাকা বেড়ে ১৪০ টাকা, পেট্রোল ১১৬ টাকা থেকে ১৯ টাকা বেড়ে ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিনের দাম ১১২ টাকা থেকে ১৮ টাকা বেড়ে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ঢাকা/এসএইচ

শেয়ার করুন

তেলের দাম বাড়ানোর সঙ্গে আইএমএফের কোনো সম্পর্ক নেই: অর্থমন্ত্রী

আপডেট: ০৩:১৩:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

তেলের দাম বাড়ানোর সঙ্গে আইএমএফের কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, সরকারি তহবিলে চাপ বাড়ায় দাম বাড়ানো হয়েছে।

রোববার (১৯ এপ্রিল) বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের বসন্তকালীন বৈঠক নিয়ে সচিবালয়ে নিজ দফতরে ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, ‘জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণের বাইরে গিয়ে আইএমএফ ও ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের কাছে কোনো ঋণ নেবে না সরকার।

এদিকে যুদ্ধকালীন অবস্থার কারণে সরকার জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করতে বাধ্য হয়েছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও ৫ ডলার বাড়িয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ব্যাপার হচ্ছে একটা যুদ্ধকালীন অবস্থার মধ্যে আমরা আছি। সারা বিশ্ব তাদের তেলের দাম এডজাস্ট করেছে। এমনকি আমেরিকাও পাঁচ ডলার বাড়িয়েছে। তো সেইখানে আমরা বাংলাদেশে যুদ্ধ লাগার পর থেকে ইম্পোর্ট করে যে স্টক তৈরি করেছি, তার যে দাম পড়েছে, সেই দামের থেকে নিচে আমরা এখন প্রাইস এডজাস্টমেন্ট করেছি।

সরকার তেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এটা করতে বাধ্য হইছি আমরা। কেননা এটা বৈদেশিক মুদ্রা দিয়ে কিনতে হয় এবং সেটা যাতে কিছু বাড়িয়ে আমরা যেন সহনীয় লেভেলে থাকতে পারি সেই ব্যবস্থা করেছি।’

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ালেও এখনও সরকার ভর্তুকি দিচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ভর্তুকি এখনো আছে। ইফ ইউ ওয়ান্ট অ্যাকুরেট হিসাব তাহলে আমার মন্ত্রণালয়ে যেয়ে বসে ওখান থেকে নিতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘যুদ্ধ মানেই বিরূপ প্রভাব পড়া। এই যুদ্ধে শুধু বাংলাদেশ না সারা পৃথিবীর ওপর প্রভাব পড়েছে। আমাদের ওপরও প্রভাব আছে।’

ইরান যুদ্ধকে ঘিরে বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেশে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার। লিটারে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে জ্বালানির দাম।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের নির্ধারিত নতুন দর অনুযায়ী, রোববার (১৯ এপ্রিল) থেকে পাম্পগুলোতে প্রতি লিটার ডিজেল ১০০ টাকা থেকে ১৫ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১১৫ টাকায়।

এছাড়া প্রতি লিটার অকটেন ১২০ টাকা থেকে ২০ টাকা বেড়ে ১৪০ টাকা, পেট্রোল ১১৬ টাকা থেকে ১৯ টাকা বেড়ে ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিনের দাম ১১২ টাকা থেকে ১৮ টাকা বেড়ে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ঢাকা/এসএইচ