বিআইসিএম রিসার্চ সেমিনার-১৯ অনুষ্ঠিত
- আপডেট: ১০:৫১:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২২
- / ১০৩২৬ বার দেখা হয়েছে
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ক্যাপিটাল মার্কেট (বিআইসিএম) এর রিসার্চ সেমিনার-১৯ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ (১৪ ডিসেম্বর) ইন্সটিটিউটের মাল্টিপারপাস হলে সেমিনারে “Local Religiosity and Insider Trading Activity” শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আমেরিকার নর্থ ক্যারোলিনা এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড টেকনিক্যাল স্টেট ইউনিভার্সিটির কলেজ অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিক্স এর সহকারী অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হাসান ভূঁইয়া।
অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুক–টুইটার–লিংকডইন–ইন্সটাগ্রাম–ইউটিউব
ইনস্টিটিউটের নির্বাহী প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. মাহমুদা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত সেমিনারে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আল-আমিন, শ্রীলঙ্কার কেলানিয়া ইউনিভার্সিটির কমার্স অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সিনিয়র প্রভাষক ড. এস সি থুসারা ও অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটির ফিন্যান্স বিভাগের প্রভাষক ড. দেওয়ান রহমান।
বিআইসিএম এর সহকারী অধ্যাপক সাফায়েদুজ্জামান খান সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন।
এই গবেষণায় দেখা হয় যে, ধর্ম পরায়নতার সাথে ইনসাইডার ট্রেডিং একটিভিটি এর কোন সম্পর্ক আছে কি না। প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির পরিচালক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা মূল্য সংবেদনশীল তথ্য জানার সম্ভাবনা থেকে যায়। পূর্বেই একটি পক্ষ গুরুত্বপূর্ণ এসকল তথ্য জেনে পুঁজিবাজরে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিতে লেনদেন করলে ইনসাইডার ট্রেডিং এর জন্য কোম্পানির শেয়ারদরে প্রভাব পড়ে। তাই এ গবেষণায় দেখা হয় সংশ্লিষ্ট কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ের পার্শ্ববর্তী মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস ইনসাইডার ট্রেডিংকে অনেকাংশে প্রভাবিত করে থাকে। কেননা, ধর্মীয় বিশ্বাস বা অনুশাসন মানুষকে অনৈতিক কাজ থেকে দূরে রাখে এবং নিম্নমানের ঝুঁকি গ্রহণ থেকে বিরত রাখে। ধর্মীয় অনুশাসন পালনকারীগণ যেহেতু অনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকেন তাই তাদের ইনসাইডার ট্রেডিংয়ে যুক্ত থাকার প্রবণতা কম থাকে।
আলোচনায় ড. এস সি থুসারা আজকের গবেষণার বিষয়ের ব্যবহারিক গুরুত্ব বিবেচনা করে প্রবন্ধ উপস্থাপককে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, গবেষণার বিষয়টি আর্থিক জালিয়াতি প্রতিরোধের ক্ষেত্রে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। তাই ভবিষ্যতে এই গবেষণাটি বিভিন্ন ধর্ম ও গোত্রের কথা আলাদাভাবে বিবেচনা করে পরিচালনা করা যেতে পারে।
ঢাকা/টিএ


































