বেশি বেতন পেয়ে ৪ মাসেই ডিএসই ছাড়লেন আবিদ
- আপডেট: ১২:৪২:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
- / ১০১৭৬ বার দেখা হয়েছে
অনেক সময় ও আর্থিক ব্যয়ের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও (এমডি) প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। এতে প্রক্রিয়াও কম না। এরমধ্য দিয়েই ডিএসইতে সিএফও হিসাবে যোগদান করেছিলেন মো. আবিদ হোসেন খান। তবে মাত্র ৪ মাসের মধ্যেই ভালো বেতনের সুযোগে পদত্যাগ করেছেন তিনি। এতে ডিএসইকে আবারও সিএফও নিয়োগে সময় সাপেক্ষ পক্রিয়ায় ঢুকতে হবে।
জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) তিনি তার পদত্যাগপত্র জমা দেন। ডিএসই সূত্রে জানা যায়, বেসরকারি খাতে তুলনামূলক ভালো বেতনের একটি সুযোগ পাওয়ায় তিনি নতুন কর্মক্ষেত্রে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।জানা গেছে, মো. আবিদ হোসেন খান গত ১ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে সিএফও হিসাবে যোগদান করেন। তবে ৪ মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই গত বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) তিনি পদত্যাগপত্র দিয়েছেন।ব্র্যাক আইটিতে ডিএসইর থেকে ভালো বেতনে সুযোগ পাওয়ায় তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অথচ তার নিয়োগ দিতে ডিএসইকে সময় ও অর্থ খরচ করতে হয়েছে।
ডিএসইতে সিএফও নিয়োগে এ সংশ্লিষ্ট কমিটির ৪-৫টি সভা করতে হয়। এতে প্রতিটি সভায় প্রায় ১ লাখ টাকা করে খরচ হয়। এছাড়া বিজ্ঞপ্তিতেও লাখ টাকা খরচ হয়। এতে ডিএসইর অনেক সময় দিতে হয়। এসবের মধ্য দিয়ে যোগদান করা আবিদ নিজের স্বার্থে ৪ মাসের আগেই পদত্যাগ করলেন।অথচ ডিএসইতে সিএফও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ। তার পদত্যাগে এ পদটি ফাঁকা হয়ে যাবে। কারণ এই পদে নিয়োগ দিতে যেমন সময় লাগে, একইভাবে অনেক সময় যোগ্য লোকের অভাব পড়ে। এতে একাধিকাবারও যোগ্য লোকের জন্য বিজ্ঞপ্তি দিতে হয়।
ডিএসইর একজন পরিচালক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, একজন পেশাজীবী ভালো সুযোগ পেলে অন্য প্রতিষ্ঠানে যেতে পারেন—এটি স্বাভাবিক। তবে গুরুত্বপূর্ণ পদে যোগদানের পর দায়িত্ব পালনের একটি যৌক্তিক সময় থাকা প্রত্যাশিত। কারণ এ ধরনের পদ শূন্য হলে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে প্রভাব পড়ে এবং পুনরায় নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যেতে হয়, যা সময় ও শ্রমসাপেক্ষ।
তিনি বলেন, সিএফওর যোগদানের ৪ মাসেরও কম সময়ে পদত্যাগ করাটা নৈতিকভাবে ঠিক না। কারণ তাকে নিয়োগে ডিএসইর অনেক সময় ও অর্থ ব্যয় হয়েছে। আরও বড় কথা তার শুন্যস্থান পূরণে আবারও লম্বা সময় লাগবে। কিন্তু ডিএসইতে সিএফও গুরুত্বপূর্ণ পদ। তাই আবিদদের কোথাও যোগদানের আগে এ বিষয়গুলো ভাবা উচিত। এছাড়া যারা নিয়োগ দেয়, সেসব প্রতিষ্ঠানকেও আগামীতে এ জাতীয় লোকদের নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে।
ঢাকা/আরএইচ


































