১২:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

জেলে দিতে চাইলে দিতে পারেন: সালমান খান

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৬:১৮:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
  • / ১০২৫৯ বার দেখা হয়েছে

বলিউডের ‘ভাইজান’ খ্যাত সালমান খান অন্যায়ের বিরুদ্ধে কিংবা নিজের আত্মসম্মানের প্রশ্নে বরাবরই সোচ্চার। এবারও তার ব্যতিক্রম হলো না। তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা উগরে দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক বার্তা দিলেন এই অভিনেতা।

মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালের বাইরে সালমান খানকে দেখতে পেয়েই ফ্রেমবন্দি করার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়েন পাপারাজ্জিরা। রেস্টুরেন্ট হোক বা হাসপাতাল তারকাদের ব্যক্তিগত মুহূর্তকে ক্যামেরাবন্দি করার এই অতি-উৎসাহ একদমই ভালোভাবে নেননি বলিউড সুলতান।

হাসপাতালের সেই কঠিন ও সংবেদনশীল পরিস্থিতিতে তাকে ‘কনটেন্ট’ বানিয়ে অর্থ উপার্জনের এই মানসিকতাকে ‘অমানবিক’ বলে তীব্র নিন্দা জানান সালমান।

পরবর্তীতে একটি ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্টে নিজের ক্ষোভের কথা জানিয়ে সালমান লেখেন, ‘আমি বরাবরই সংবাদমাধ্যমের পাশে দাঁড়িয়েছি এবং তাদের কাজকে সম্মান করেছি। সবসময় চেয়েছি তারা যেন নিজেদের কাজ শান্তিতে করতে পারেন।’

তবে অন্যের দুঃখ-কষ্টকে পুঁজি করে ব্যবসা করার এই প্রবণতা তাকে ভীষণভাবে ব্যথিত করেছে। প্রশ্ন তুলে ভাইজান বলেন, ‘কারও জীবনের চেয়ে কি একটা ছবি বেশি গুরুত্বপূর্ণ? আমি ৬০ বছর বয়সে পৌঁছেছি ঠিকই, কিন্তু লড়াই করতে ভুলিনি। জেলে দিতে চাইলে দিতে পারেন।’

ঢাকা/এসএইচ

ট্যাগঃ

শেয়ার করুন

error: Content is protected ! Please Don't Try!

জেলে দিতে চাইলে দিতে পারেন: সালমান খান

আপডেট: ০৬:১৮:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

বলিউডের ‘ভাইজান’ খ্যাত সালমান খান অন্যায়ের বিরুদ্ধে কিংবা নিজের আত্মসম্মানের প্রশ্নে বরাবরই সোচ্চার। এবারও তার ব্যতিক্রম হলো না। তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা উগরে দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক বার্তা দিলেন এই অভিনেতা।

মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালের বাইরে সালমান খানকে দেখতে পেয়েই ফ্রেমবন্দি করার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়েন পাপারাজ্জিরা। রেস্টুরেন্ট হোক বা হাসপাতাল তারকাদের ব্যক্তিগত মুহূর্তকে ক্যামেরাবন্দি করার এই অতি-উৎসাহ একদমই ভালোভাবে নেননি বলিউড সুলতান।

হাসপাতালের সেই কঠিন ও সংবেদনশীল পরিস্থিতিতে তাকে ‘কনটেন্ট’ বানিয়ে অর্থ উপার্জনের এই মানসিকতাকে ‘অমানবিক’ বলে তীব্র নিন্দা জানান সালমান।

পরবর্তীতে একটি ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্টে নিজের ক্ষোভের কথা জানিয়ে সালমান লেখেন, ‘আমি বরাবরই সংবাদমাধ্যমের পাশে দাঁড়িয়েছি এবং তাদের কাজকে সম্মান করেছি। সবসময় চেয়েছি তারা যেন নিজেদের কাজ শান্তিতে করতে পারেন।’

তবে অন্যের দুঃখ-কষ্টকে পুঁজি করে ব্যবসা করার এই প্রবণতা তাকে ভীষণভাবে ব্যথিত করেছে। প্রশ্ন তুলে ভাইজান বলেন, ‘কারও জীবনের চেয়ে কি একটা ছবি বেশি গুরুত্বপূর্ণ? আমি ৬০ বছর বয়সে পৌঁছেছি ঠিকই, কিন্তু লড়াই করতে ভুলিনি। জেলে দিতে চাইলে দিতে পারেন।’

ঢাকা/এসএইচ