০২:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

৬ দেশ থেকে আসবে ১৩ লাখ ৮০ হাজার টন জ্বালানি তেল

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৫:২৯:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ১০৩০১ বার দেখা হয়েছে

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন সময়ে চীন, আরব আমিরাত, ভারত, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া এবং ইন্দোনেশিয়া— এই ছয় দেশের ৭ প্রতিষ্ঠান থেকে জিটুজি মেয়াদি চুক্তির ভিত্তিতে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে ১৩ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন বিভিন্ন ধরনের পরিশোধিত জ্বালানি তেল ১০ হাজার ৮২৬ কোটি ১১ লাখ টাকা দিয়ে কেনা হবে।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়ামে কর্পোরেশনের (বিপিসি) বাজেট ও ব্যাংক ঋণের অর্থ দিয়ে এই জ্বালানি তেল আমদানি করা হবে।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান থেকে জিটুজি মেয়াদি চুক্তির ভিত্তিতে ২০২৬ সালের জানুয়ারি টু জুন সময়ের জন্য পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করে অনুমোদন দিয়েছে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) ২০২৬ সালের পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির প্রস্তাব ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভায় নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে দেশে জ্বালানি তেলের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে মেয়াদি চুক্তির আওতায় জি-টু-জি ভিত্তিতে নেগোসিয়েশন করে চীনের পেট্রোচায়না ও ইউনিপেক, আরব আমিরাতের ইএনওসি, ভারতের আইওসিএল, থাইল্যান্ডের ওকিউটি, মালয়েশিয়ার পিটিএলসিএল এবং ইন্দোনেশিয়ার বিএসপি থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুন সময়ের জন্য ১৩ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন পরিশোধিত জ্বালানি তেল প্রিমিয়াম ও রেফারেন্স প্রাইসসহ ৮৮ কোটি ২৩ লাখ ২৩ হাজার ৫২০ মার্কিন ডলারে আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ১০ হাজার ৮২৬ কোটি ১১ লাখ টাকা।

জানা গেছে, যে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করা হবে তার মধ্যে গ্যাস অয়েল ৮ লাখ ৯০ হাজার মেট্রিক টন, জেট এ-১: ১ লাখ ৮৫ হাজার মেট্রিক টন, গ্যাসোলিন ১ লাখ মেট্রিক টন, ফার্নেস অয়েল ১ লাখ ৭৫ হাজার মেট্রিক টন এবং মেরিন ফুয়েল ৩০ হাজার মেট্রিক টন রয়েছে।

ঢাকা/এসএইচ

শেয়ার করুন

error: Content is protected ! Please Don't Try!

৬ দেশ থেকে আসবে ১৩ লাখ ৮০ হাজার টন জ্বালানি তেল

আপডেট: ০৫:২৯:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন সময়ে চীন, আরব আমিরাত, ভারত, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া এবং ইন্দোনেশিয়া— এই ছয় দেশের ৭ প্রতিষ্ঠান থেকে জিটুজি মেয়াদি চুক্তির ভিত্তিতে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে ১৩ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন বিভিন্ন ধরনের পরিশোধিত জ্বালানি তেল ১০ হাজার ৮২৬ কোটি ১১ লাখ টাকা দিয়ে কেনা হবে।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়ামে কর্পোরেশনের (বিপিসি) বাজেট ও ব্যাংক ঋণের অর্থ দিয়ে এই জ্বালানি তেল আমদানি করা হবে।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান থেকে জিটুজি মেয়াদি চুক্তির ভিত্তিতে ২০২৬ সালের জানুয়ারি টু জুন সময়ের জন্য পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করে অনুমোদন দিয়েছে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) ২০২৬ সালের পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির প্রস্তাব ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভায় নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে দেশে জ্বালানি তেলের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে মেয়াদি চুক্তির আওতায় জি-টু-জি ভিত্তিতে নেগোসিয়েশন করে চীনের পেট্রোচায়না ও ইউনিপেক, আরব আমিরাতের ইএনওসি, ভারতের আইওসিএল, থাইল্যান্ডের ওকিউটি, মালয়েশিয়ার পিটিএলসিএল এবং ইন্দোনেশিয়ার বিএসপি থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুন সময়ের জন্য ১৩ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন পরিশোধিত জ্বালানি তেল প্রিমিয়াম ও রেফারেন্স প্রাইসসহ ৮৮ কোটি ২৩ লাখ ২৩ হাজার ৫২০ মার্কিন ডলারে আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ১০ হাজার ৮২৬ কোটি ১১ লাখ টাকা।

জানা গেছে, যে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করা হবে তার মধ্যে গ্যাস অয়েল ৮ লাখ ৯০ হাজার মেট্রিক টন, জেট এ-১: ১ লাখ ৮৫ হাজার মেট্রিক টন, গ্যাসোলিন ১ লাখ মেট্রিক টন, ফার্নেস অয়েল ১ লাখ ৭৫ হাজার মেট্রিক টন এবং মেরিন ফুয়েল ৩০ হাজার মেট্রিক টন রয়েছে।

ঢাকা/এসএইচ